মেনু নির্বাচন করুন

দৌলতপুর উপজেলা গোলঘর

আল সালেহ পাবলিক ওয়েল ফেয়ার অর্থায়নে এই গোল ঘরটি উপজেলা পরিষদের ভিতরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । 

অবস্থান ও আয়তন

দৌলতপুর উপজেলা কুষ্টিয়া জেলার অধীনে একটি উপজেলা। দৌলতপুর উপজেলার আয়তন ৪৬১বর্গ কিলোমিটার। এর উত্তরে বাঘা ও লালপুর, দক্ষিণে গাংনী ও মিরপুর, পুর্বে ভেড়ামারা ও মিরপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

ইতিহাস

১৯৮৩ সালে দৌলতপুর থানাকে উপজেলা হিসেবে ঘোষনা করা হয়।

নামকরণ

মুক্তিযুদ্ধে

১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর দৌলতপুরে মুক্তিবাহিনী ও পাক হানাদার বাহিনীর মধ্যে একটি লড়াই সংঘটিত হয়। এতে বহু লোক হতাহত হয়। দৌলতপুর উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ৬টি গণকবর রয়েছে। এছাড়া এখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে একটি সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। দৌলতপুর উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নামে ১০ টি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। শেরপুর নামক গ্রামে এই উপজেলার সব চেয়ে বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে পাকিস্তান বাহিনী পরাজয় বরন করে।

ভৌগোলিক উপাত্ত

নদ-নদী

দৌলতপুর উপজেলায় ২টি নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে পদ্মা নদী ও মাথাভাঙ্গা নদী[২][৩] এছাড়া হিশনা-ঝাঞ্চা নদী নামের আরো একটি নদী দৌলতপুর উপজেলার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

সাংষ্কৃতিক বৈশিষ্ঠ্য

ভাষা

দৌলতপুরে মানুষের মুখের ভাষা মিষ্টি ভাষা হিসেবে খুবই পরিচিত।

উত্সব এখানে ধর্ম বর্ন মিলে মিশে ঈদ, পুজা পালন করা হয়।

খেলাধুলা

খেলাধুলায় কিছুটা পিছিয়ে আছে তবে আল্লারদর্গা বাজারের পাশে একটি স্টেডিয়াম তৈরির কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, এতে খেলাধুলার উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রশাসনিক এলাকা

১৬১টি মৌজা ও ২৪২টি গ্রাম নিয়ে গঠিত দৌলতপুর উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়ন রয়েছে।

নির্বাচনী এলাকা জনপ্রতিনিধি

জনসংখ্যার উপাত্ত

২০০১ সালের বাংলাদেশ আদমশুমারী অনুযায়ী দৌলতপুর উপজেলার জনসংখ্যা ৪,৪৩,৯৬০ জন। এর মধ্যে ৫১.৪২ শতাংশ পুরুষ ও বাকী ৪৮.৫৮ শতাংশ নারী। উপজেলার আঠারোর্ধ জনসংখ্যা ১,৭৮,৫৩৯ জন। এখানকার স্বাক্ষরতার হার ৬৫.৫% (৭+ বছর বয়সী) যেখানে জাতীয় পর্যায়ে স্বাক্ষরতার হার ৬২.৪%।[৪]

ধর্ম

মোট জনসংখ্যার ৯৯.২৮% মুসলিম ও ০.৭২% অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। এখানে ১৬০ টি মসজিদ , ১ টি মন্দির ও ১ টি গির্জা রয়েছে।

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য চিকিৎসা দিক দিয়ে কিছুটা পিছিয়ে, তবুও এখানে আছে ৫০ বেডের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেস, এছাড়া আছি প্রতি ওর্যাডে একটি করে কমিনিটি ক্লিনিক।

শিক্ষা

দৌলতপুর উপজেলার স্বাক্ষরতার হার ৬৭%; যার মধ্যে ৭৩%% পুরুষ ও ৬১% মহিলা। এই উপজেলার রয়েছেঃ

  • সরকারি কলেজ ১ টি,
  • মহাবিদ্যালয়ঃ ১১টি,
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৪৫টি,
  • সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১০৫টি,
  • বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৮২টি,
  • মাদ্রাসাঃ ৩৫টি,
  • সরকারি ভকেশনাল প্রশিক্ষন কেন্দ্রঃ ১টি এবং
  • এতিমখানাঃ ১টি।
কৃষি :
দৌলতপুর উপজেলা তামাক চাষের জন্যে বিশ্ব বিখ্যাত। এখানে প্রচুর তামাক উৎপাদন হয় যা দেশের চাহিদা পুরন করে বিদেশে রপ্তানি হয়। উপজেলার দিঘলকান্দী, আমদহ, হরিণগাছি (পাইক পাড়া), পিয়ারপুর,রিফাইতপুর এলাকায় শতকরা ৯৯.৯৯  ভাগ জমিতে তামাক চাষ হয়। এছাড়া তারাগুনি মথুরাপুর এলাকায় প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়, যা স্থানীয় চাহিদা পুরন করে ঢাকাসহ দেশের অন্যে এলাকায় পাঠানো হয়। তাছাড়া,ধান, পাট, চীনাবাদাম ও প্রচুর পরিমানে উৎপাদিত হয়।

Share with :
Facebook Twitter